বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর সমাপনী আয়োজন


প্রকাশন তারিখ : 2018-09-30
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
 
১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর সমাপনী আয়োজন
 
‘আমাদের দেশের তরুণ শিল্পীদের শক্তির পরিচয় পেয়েছি এই আয়োজনে। প্রবীনদের পাশাপশি নবীনরাও ভবিষ্যতের জন্য তৈরী হচ্ছে। এটিই আমাদের বিশেষ অর্জন। নাম  এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী হলেও, ৬৮টি দেশের অংশগ্রহনই প্রমান করে  আমরা সারা বিশে^ এটিকে ছড়িতে দিতে পেরেছি। আমরা সবাই শিল্পের সাথে থাকব এটিই প্রত্যাশা করি।’ ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর সমাপনী আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি। 
 
৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকাল ৫টায়। সমাপনি আয়োজনে ছিলো আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে মিলনায়তনের সামনে শিল্পকলা একাডেমি যন্ত্রশিল্পীদের পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। মিলনায়তনে প্রবেশের পরপরই শুরু হয় ‘মঙ্গল হোক এই শতকে মঙ্গল সবার, গানের সাথে একাডেমির নৃত্য শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনা।
 
শিল্পের বৃহৎ মিলনমেলা ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন ‘পুরো সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে শিল্পকলা একাডেমি উৎসবমূখর ছিলো। তবে ১৮তম এশীয় দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী শেষ হলেও অক্টোবর থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে আরো ব্যাপক কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। আশাকরি শিল্পকলা একাডেমিতে সবসময় বৈতিত্রপূর্ন আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকবে।’ 
 
স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘আজকের দিনটি একদিকে যেমন আনন্দের অন্যদিকে বেদনার। তবে আমরা স্বপ্ন দেখছি আগামী ১৯তম আসর আরো বড় পরিসরে  করতে পারবো।’ মহাপরিচালক আয়াজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিল্পী, অতিথি, আয়োজক ও কলাকুশলীদের ধন্যবাদ জানান।
 
গত ১ সেপ্টেম্বর সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে মাসব্যাপী বিশ্ব শিল্পের বৃহৎ মিলনমেলা ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৮’-এর শুভ উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ আবদুল হামিদ। এবার এই আয়োজনের ১৮তম আসরে বিশ্বের ৬৮ দেশের  চারুশিল্পীরা অংশগ্রহণ করছে। এবারের আয়োজনের মধ্যে ছিল দেশী-বিদেশী শিল্পীদের মোট ৩৬৮টি পেইন্টিং, প্রিন্ট ও ফটোগ্রাফি; ৩৩টি ভাস্কর্য; ৫২টি ইনস্টলেশন আর্ট এবং ৩০জন পারফর্মেন্স আর্টিস্ট-এর শিল্পনৈপুণ্য প্রদর্শনী। আয়োজনের মধ্যে আরও ছিল ১২ জন বাংলাদেশী নবীন শিল্পীর অংশগ্রহণে এবং শিল্পী বিশ্বজিৎ গোস্বামীর তত্ত¡াবধানে ‘ইয়াং আর্ট প্রজেক্ট’। দেশী-বিদেশী ৪৬৫জন শিল্পীর ৫৮৩টি শিল্পকর্মের এ বিশাল শিল্পযজ্ঞে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক সেমিনার, পেইন্টিং, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, প্রাচ্যকলা, প্রিন্ট মেকিং, ভিডিও আর্ট, মৃৎশিল্প, পারফর্মেন্স আর্ট, নিউ মিডিয়া এবং স্থাপনা শিল্প । বিশেষ সংযোজন হিসেবে ছিল কারুপণ্য মেলা, ফুড কোর্ট, আর্ট ক্যাফে, শিশু কর্ণার, আর্ট ক্যাম্প, পারফর্মেন্স আর্ট ওয়ার্কশপ এবং ভাস্কর্য উদ্যান।  

Share with :

Facebook Facebook